[{"data":1,"prerenderedAt":-1},["ShallowReactive",2],{"subject-review-single-infrmesn-teknolji-it:guest":3},{"data":4},{"id":5,"slug":6,"title":7,"description":8,"image":9,"created_at":12,"paid":13},11,"infrmesn-teknolji-it","ইনফরমেশন টেকনোলজি (IT)","\u003Cp>\u003Cstrong>বিষয়বস্তু কি?\u003C\u002Fstrong>\u003C\u002Fp>\r\n\u003Cp data-pm-slice=\"0 0 []\">ইনফরমেশন টেকনোলজির বাংলা নাম হলো তথ্য প্রযুক্তি। তথ্য প্রযুক্তি কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একটি অঙ্গ। এখানে যারা পড়াশুনা করবে তারা সফটওয়্যার প্রযুক্তি সম্পর্কে শিখতে পারবে। তুমি যদি আইটি পড়তে চাও বা তোমার যদি প্রোগ্রামিং নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা থাকে তবে তোমার সৃজনশীলতার সাথে ইচ্ছাশক্তি ও কঠোর পরিশ্রম করার মত ইচ্ছাশক্তি থাকতে হবে। বাংলাদেশে এখন অনেক আইটি ফার্ম রয়েছে যারা তাদের সংস্থার জন্য আইটি\u002Fসফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ করছে।\u003C\u002Fp>\r\n\u003Cp data-pm-slice=\"0 0 []\">&nbsp;\u003C\u002Fp>\r\n\u003Cp data-pm-slice=\"0 0 []\">\u003Cstrong>ইতিহাস\u003C\u002Fstrong>\u003C\u002Fp>\r\n\u003Cp data-pm-slice=\"0 0 []\">বাংলাদেশে ইনফরমেশন টেকনোলজির প্রাতিষ্ঠানিক নাম মূলত ইন্সটিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি (IIT) নামে এবং বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি (IIT) এর যাত্রা শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাত ধরে, ২০০১ সালে। তবে শুরুতে এই নামে পরিচিত ছিল না ডিপার্টমেন্টটি। ১৯৮৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত কম্পিউটার সেন্টার\" এর নামই ২০০১ সালে করা হয় \"ইন্সটিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি (IIT)\"। মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাত ধরেই আইআইটি যাত্রা শুরু হলেও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম বেশি শোনা যায়। তবে প্রায় ৮ বছর পরে ২০০৯ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যাত্রা শুরু হয় ইন্সটিটিউটটির। স্বতন্ত্র ইউনিট হিসেবে প্রতি বছর ৫৬ জন করে ভর্তি করে থাকে বিশ্ববিদ্যালয়টি। বর্তমানে ইন্সটিটিউটটি থেকে বিএসসি ইন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং (BSSE) ডিগ্রী দেয়া হয়ে থাকে।\u003C\u002Fp>\r\n\u003Cp data-pm-slice=\"0 0 []\">&nbsp;\u003C\u002Fp>\r\n\u003Cp data-pm-slice=\"0 0 []\">\u003Cstrong>কোথায় পড়ানো হয়?\u003C\u002Fstrong>\u003C\u002Fp>\r\n\u003Cp data-pm-slice=\"0 0 []\">বাংলাদেশের অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এই কোর্সটি করানো হয়। তবে কিছুক্ষেত্রে নামের তারতম্য হয়ে থাকে। কোর্সকোথায় পড়ানো হয়? সিলেবাস ও ধরণ প্রায় একই। যে যে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোর্সটি পড়ানো হয় তা নিচে দেয়া হলো -\u003C\u002Fp>\r\n\u003Cul>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (IIT)\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (IIT)\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (IIT)\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ICT)\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) (IICT)\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) (IICT)\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (ICT)\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ICE)\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ICT)\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (DIIT)\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003C\u002Ful>\r\n\u003Ch3>\u003Cstrong>এখানে,\u003C\u002Fstrong>\u003C\u002Fh3>\r\n\u003Col>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>\u003Cstrong>IIT - \u003C\u002Fstrong>Institute of Information Technology\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>\u003Cstrong>IICT - \u003C\u002Fstrong>Institute of Information &amp; Communication Technology\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>\u003Cstrong>ICT - \u003C\u002Fstrong>Information &amp; Communication Technology\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>\u003Cstrong>ICE - \u003C\u002Fstrong>Information &amp; Communication Engineering\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>\u003Cstrong>DIIT - \u003C\u002Fstrong>Daffodil Institute of Information Technology\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003C\u002Fol>\r\n\u003Cp>&nbsp;\u003C\u002Fp>\r\n\u003Cp>&nbsp;\u003C\u002Fp>\r\n\u003Cp>\u003Cstrong>কি কি পড়ানো হয়?\u003C\u002Fstrong>\u003C\u002Fp>\r\n\u003Cp data-pm-slice=\"0 0 []\">নামে কিছুটা ভিন্নতা থাকলেও প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়েই একই ধরণের বিষয়, কোর্স পড়ানো হয়ে থাকে। এই কোর্সগুলো মূলত থিওরি এবং প্রাক্টিক্যাল দুটোই হয়ে থাকে। কি কি বিষয় পড়ানো হয় তা নিচে দেয়া হলো -\u003C\u002Fp>\r\n\u003Ch3>\u003Cstrong>Core Courses\u003C\u002Fstrong>\u003C\u002Fh3>\r\n\u003Cul>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Structured Programming\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Discrete Mathematics\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Probability and Statistics for Engineers\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Calculus and Analytical Geometry\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Introduction to Software Engineering\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Sociology\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Data Structure and Algorithm\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Computer Organization\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Ordinary Differential Equations\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Ordinary Differential Equations\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Object-Oriented Concepts\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Combinatorial Optimization\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Theory of Computing\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Computer Networking\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Numerical Analysis for Engineers\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Software Project Lab\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Operating System and System Programming\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Business Psychology\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Information Security\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Database Management System\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Business Studies for Engineers\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Software Requirements Specification and Analysis\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Professional Ethics for Information Systems\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Web Technology\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Business Communications\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Design Patterns\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Distributed Systems\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Software Metrics\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Software Security\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Artificial Intelligence\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Software Testing and Quality Assurance\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Software Design and Analysis\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Software Maintenance\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Software Project Management\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003C\u002Ful>\r\n\u003Ch3>\u003Cstrong>Elective Courses\u003C\u002Fstrong>\u003C\u002Fh3>\r\n\u003Cul>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Computer Data and Network Security\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Embedded Systems\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Numeric Computation for Financial Modeling\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Data Mining and Warehousing\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Enterprise Information Systems\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Pattern Recognition and Image Processing\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Mobile and Wireless Computing\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Computer Graphics and Multimedia\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Machine Learning\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Human-Computer Interaction\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Information Retrieval\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Strategic Management\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>Applied Data Science\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>&nbsp;\u003C\u002Fli>\r\n\u003C\u002Ful>\r\n\u003Cp>\u003Cstrong>চাকুরিক্ষেত্র\u003C\u002Fstrong>\u003C\u002Fp>\r\n\u003Cp data-pm-slice=\"0 0 []\">সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের চাকুরিক্ষেত্র অনেক। ভবিষ্যতে দেশে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের একক আধিপত্য থাকবে প্রতিটি ক্ষেত্রে। যেমন -\u003C\u002Fp>\r\n\u003Ch3>\u003Cstrong>হেল্প ডেস্ক টেকনিশিয়ান\u003C\u002Fstrong>\u003C\u002Fh3>\r\n\u003Cp>যখন কোন নন টেকনিক্যাল মানুষ আইটি নিয়ে ভাবলে সর্বপ্রথম যে বিষয়টি কল্পনায় আসে সেটা হচ্ছে হেল্প ডেস্ক টেকনিশিয়ান। বাস্তবেও তাই! ইনফরমেশন টেকনোলজিতে পাস করে বেশিরভাগ মানুষের কর্মক্ষেত্র শুরু হয় এই এন্টি লেভেল পদ হতে। সাধারণত বিভিন্ন কাষ্টমার সাপোর্ট আর হার্ডওয়্যার মেরামত করা এই পদের দায়িত্ব। কাস্টোমার সাপোর্টে সাধারণত ক্রেতাদের বিভিন্ন সমস্যা যেমন কেন ফাইল ওপেন হচ্ছে না, প্রিন্ট হচ্ছে না, অথবা ইন্টারনেট কাজ করছে না এইসব সমস্যার সমাধান নিয়ে কাজ করতে হয়। এই কাজের জন্য যোগাযোগের দক্ষতা, সবধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উপর জ্ঞান থাকা ছাড়ও অসম্ভব পরিমাণের ধৈর্য্য থাকা অবশ্যক।\u003C\u002Fp>\r\n\u003Ch3>\u003Cstrong>সিস্টেম এনালিস্ট\u003C\u002Fstrong>\u003C\u002Fh3>\r\n\u003Cp>বিভিন্ন ধরনের গবেষণা, উন্নয়ন এবং কোম্পানির ইনফরমেশন সিস্টেমের সর্বোচ্চ কর্মদক্ষতা বাড়ানোই একজন সিস্টেম এনালিস্টের মুখ্য কাজ। এছাড়া নতুন কাজের পরিকল্পনা এবং প্রোগ্রামার দিয়ে নতুন সফটওয়্যার আপডেট করার ছাড়াও সেগুলোর উপর প্রয়োজনীয় ম্যানুয়াল লেখাও সিস্টেম এনালিস্টের কাজ।\u003C\u002Fp>\r\n\u003Cp>সিস্টেম এনালিস্ট সাধারণত কোম্পানির কাঠামোগত কাজে বেশি যুক্ত থাকেন না। তবে কোনো কোনো সিস্টেম এনালিস্ট কর্মচারীদের মধ্যে বিভিন্ন জরিপ চালিয়ে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেন। আর সেই সমস্যা অনুযায়ী নতুন সফটওয়্যার গঠন এবং প্রোগ্রামাদের দিয়ে নতুন সফটওয়্যার তৈরি করে থাকেন। এছাড়া কোম্পানির প্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিক জিনিস এবং সেগুলোর উন্নয়ন নিয়েও একজন সিস্টেম এনালিস্ট কাজ করে থাকেন। তাদের বিচক্ষণতা আর যোগাযোগের উপর কোম্পানির উন্নতি অনেকাংশে নির্ভরশীল।\u003C\u002Fp>\r\n\u003Ch3>\u003Cstrong>আইটি সিকিউরিটি\u003C\u002Fstrong>\u003C\u002Fh3>\r\n\u003Cp>বড়সর কোম্পানিগুলোর আইটি সিকিউরিটি সেকশন সবথেকে বৃহৎ এবং ক্রমবর্ধমান একটি ক্ষেত্র। বিগত কয়েক দশক ধরে কম্পিউটার সব ধরনের আধুনিক ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত। তাই বিভিন্ন বিদ্বেষপরায়ণ মানুষের সাইবার আক্রমণের মাধ্যমে তথ্য চুরি করার মতো বিষয় ঘটে।\u003C\u002Fp>\r\n\u003Cp>তাই প্রতিটি কোম্পানিতে নিয়োগ করা হয় একাধিক আইটি&nbsp; সিকিউরিটি এক্সপার্ট। যাদের দায়িত্ব সাইবার আক্রমণ প্রতিরোধ আর তথ্য নিরাপদ রাখা হয়ে থাকে। এই পদের কাজ করতে, ঠান্ডা মাথার পাশাপাশি হ্যাকারদের থেকে এক কদম এগিয়ে থাকার মতো দক্ষতা থাকা জরুরি।\u003C\u002Fp>\r\n\u003Ch3>\u003Cstrong>নেটওয়ার্ক এডমিনেস্ট্রেটর\u003C\u002Fstrong>\u003C\u002Fh3>\r\n\u003Cp>নেটওয়ার্কিং কতখানি জটিল কাজ সেটা প্রতিটি নেটওয়ার্ক এডমিন ভালোভাবে জানেন। ব্যবসায় নতুন নেটওয়ার্ক সেটআপ থেকে শুরু করে চলতি নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণ এবং ভালোভাবে বজায় রাখা একজন নেটওয়ার্ক এডমিনেস্টেটরের কাজ। এছাড়া বিভিন্ন প্রজেক্ট অথবা নতুন ক্যাম্পাসে ভিপিএন বসানো ছাড়াও সেগুলোর রিমোর্ট টেস্ট, নেটওয়ার্কের দুর্বল পয়েন্ট বের করা এবং উন্নতি ঘটানো নেটওয়ার্ক এডমিনেস্ট্রেটরের দায়িত্ব।\u003C\u002Fp>\r\n\u003Cp>নেটওয়ার্কের উপর প্রায় অফিসের সব কাজেই নির্ভর করে। নেটওয়ার্ক ডাউন হলে কর্মচারীদের ভোগান্তি ছাড়াও আরো যে কী পরিমাণ সমস্যা সৃষ্টি ঘটে সেটা অফিসের কর্মকর্তারা ভালোভাবেই জানেন। অন্যদিকে সফটওয়্যারের সুক্ষ্ম পরিবর্তন নেটওয়ার্কের বিভিন্ন সমস্যা তৈরি হতে পারে। আর এদিকে প্রতিদিনই কোম্পানির সফটওয়্যার আপডেট হতে থাকে। ফলে বিভিন্ন সমস্যার হার সমসময় বেশি হয়ে থাকে। একজন নেটওয়ার্ক এডমিনেস্টেটরের নিত্যনতুন বিষয়ে দ্রুত খাপ খাওয়ানোর ক্ষমতার পাশাপাশি শেখার আগ্রহ থাকা গুরুত্বপূর্ণ।\u003C\u002Fp>\r\n\u003Ch3>\u003Cstrong>ডেটাবেজ এডমিনেস্ট্রেটর\u003C\u002Fstrong>\u003C\u002Fh3>\r\n\u003Cp>একটি কোম্পানির সকল তথ্য সংরক্ষণ এবং সেগুলোকে ব্যবহার করার বিষয়টি দেখে থাকেন একজন ডেটাবেজ এডমিনেস্ট্রেটর। কোম্পানির কর্মীদের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার ইতিহাস থেকে শুরু হয়ে ডিপার্টমেন্টের ক্রেতাদের তথ্য একজন ডেটাবেজ এডমিনেস্ট্রেটর সামলে থাকেন।\u003C\u002Fp>\r\n\u003Cp>এছাড়া নতুন ডেটাবেজ সিস্টেম প্রতিস্থাপনা অথবা চলিত ডেটাবেজ সিস্টেমকে আপগ্রেড করার একজন ডেটাবেজ এডমিনেস্ট্রেটরের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। ডাটাবেজের উপর অসম্ভব রকমের দক্ষতা ছাড়াও এসকিউএল, তথ্য জমা করার পদ্ধতি এবং প্রতিনিয়ত রক্ষণাবেক্ষণ করার ক্ষমতাও ডেটাবেজ এডমিনেস্ট্রেটরের থাকা জরুরি।\u003C\u002Fp>\r\n\u003Ch3>\u003Cstrong>এছাড়াও আরও কিছু কর্মক্ষেত্র রয়েছে -\u003C\u002Fstrong>\u003C\u002Fh3>\r\n\u003Cul>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>ডিজিটাল বাংলাদেশে সরকারের প্রধান লক্ষ্য দেশকে প্রযুক্তি খাতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। তারই ধারাবাহিকতায় দেশে প্রায় ১২ টির মত হাইটেক পার্ক নির্মাণ করেছে বাংলাদেশ সরকার। এছাড়াও আরও প্রায় ৩৮ টি হাইটেক পার্ক নির্মাণ পরিকল্পনায় রয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এই হাইটেক পার্কগুলোতে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের আধিপত্য বাড়ছে।\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>এছাড়াও দেশে আইটি ফার্মের চাহিদা ও সংখ্যা দুটোই দিন দিন বাড়ছে। এই সকল ফার্মে সিএসই ইঞ্জিনিয়ারের পাশাপাশি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>বিভিন্ন দেশীয় কোম্পানি যেমনঃ ওয়ালটন, সিম্ফোনি তাদের মোবাইল ফোনের চিপ দেশেই উৎপাদন করতে যাচ্ছে। আর এই কাজে একমাত্র আধিপত্য রয়েছে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের; সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের মাধ্যমেই দেশের মূল অগ্রগতি সাধিত হচ্ছে।\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>বিভিন্ন ধরণের প্রোগ্রাম, অ্যাপ নির্মাণে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের একক আধিপত্য রয়েছে।\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>এছাড়াও বিভিন্ন কোম্পানিতে প্রতি বছর সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার নিয়ে থাকে। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের ছাড়া ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ তথা বিশ্ব চলতে পারবে না। কারণ সামনে প্রযুক্তিগত বিপ্লব ঘটতে চলেছে। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে প্রযুক্তির সাথে তাল মিলাতে হবে আর প্রযুক্তির সাথে তাল মিলাতে হলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের বিকল্প নেই।\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003Cli>\r\n\u003Cp>দেশ ছাড়িয়ে বিশ্বের বৃহত্তম প্রতিষ্ঠান ইন্টেল, গুগল, ফেসবুক, অ্যামাজন সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ারদের পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। জাহাঙ্গীরনগর, বুয়েট, কুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতি বছর সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার যাচ্ছে এসব জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে।\u003C\u002Fp>\r\n\u003C\u002Fli>\r\n\u003C\u002Ful>\r\n\u003Cp>\u003Cstrong>IT আর CSE এর মধ্যে পার্থক্য কি?\u003C\u002Fstrong>\u003C\u002Fp>\r\n\u003Cp data-pm-slice=\"0 0 []\">বিদেশে অনেক আগে থেকেই কম্পিউটার সাইন্স আর সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং দুটি আলাদা শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত । আমাদের দেশে ধারনাটি নতুন । CSE এর কাজ হচ্ছে CS tools গুলোকে ডেভেলপ করা আর IT এর কাজ হচ্ছে CS tools গুলোকে প্রপারলি utilize করা। IT is a specialized stream of CSE। অর্থাৎ, আইটি হলো সিএসই এর একটি স্পেশাল পার্ট, শুধু একটির জন্ম আগে আর একটি পরে।\u003C\u002Fp>\r\n\u003Cp data-pm-slice=\"0 0 []\">&nbsp;\u003C\u002Fp>",{"id":10,"link":11},35,"https:\u002F\u002Fadmission-assistant.sgp1.digitaloceanspaces.com\u002Fposts\u002F617WZANk0L6aJmXIew7R2hnSgTCCjMWr.jpg","2024-07-15T09:48:56.000000Z",false]