আইবিএ

বিষয়বস্তু
ইনস্টিটিউট অব বিজনেস এডমিনেসট্রশন এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান যেখানে বিবিএ ও এমবিএ, এক্সিকিউটিভ এমবিএ পড়ানো হয়।
আইবিএ-তে ভর্তি পরীক্ষা কারা দিতে পারে?
তুমি যেকোন গ্রুপ থেকেই পড়াশোনা করো না কেন, (সায়েন্স/আর্টস/কমার্স) এইচএসসি (মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে আলিম) পাশ করার পরে বিবিএতে ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারবে। বাংলা মিডিয়াম, ইংলিশ মিডিয়াম, মাদ্রাসা- কোন ভেদাভেদ নেই, সবাই পারবে পরীক্ষা দিতে।
অনেকে মনে করো যে এসএসসি, এইচএসসিতে গোল্ডেন থাকা লাগবে বা ইংরেজিতে এ প্লাস থাকতে হবে। এটি সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ধারণা। আইবিএতে ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে তোমার এসএসসি এবং এইচএসসি উভয় মিলিয়ে মোট জিপিএ ৭.৫ থাকলেই যথেষ্ট (চতুর্থ বিষয় সহ)।
জিপিএর উপর ভিত্তি করে পয়েন্ট ঠিক করা হয়।
এসএসসিতে তোমার জিপিএ ৪.৫ হলে পাবে ৩ পয়েন্ট, আর ৩.৫ জিপিএ হলে পাবে ২ পয়েন্ট।
এইচএসসিতে জিপিএ ৪ হলে পাবে ৩ পয়েন্ট, এবং জিপিএ ৩ হলে ২ পয়েন্ট।
এই পয়েন্টগুলো যোগ করে মোট ৫ পয়েন্ট পেলেই তুমি যোগ্য পরীক্ষা দেওয়ার
কোথায় পড়ানো হয়?
-
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
-
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
-
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
এছাড়াও আরও কিছু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয়।
কর্মক্ষেত্র কেমন?
(আইবিএ)বিবিএ/এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করলে বেশ দ্রুত চাকুরি পাওয়া সম্ভব। বিশেষ করে প্রাইভেট অর্গানাইজেশনে বিবিএ/ এমবিএ’র চাহিদা আকাশচুম্বী। ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনী, প্রফেশনাল অফিসার, এক্সিকিউটিভসহ অফিসার পদে ভাল বেতন ও সুযোগ সুবিধায় নিয়োগ প্রদান করা হয়। এছাড়াও সরকারি ও বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষকতার মত মহান পেশায় চাকুরির সুযোগ রয়েছে। তবে এক্ষেত্রে ভাল ফলাফলের অধিকারী হতে হবে। ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সেবামূলক প্রতিষ্ঠান, বহুজাতিক কোম্পানী, টেলি কমিউনিকেশন কোম্পানী, গার্মেন্টস, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে আকর্শণীয় বেতনে উচ্চ পদে চাকুরির সুযোগ রয়েছে।
