প্রশ্নোত্তর
চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) — ভর্তি প্রশ্নোত্তর
ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি
২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে (এইচএসসি ২০২৫ ব্যাচ) চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৯টি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরিক্ষা নিয়েছে।
কৃষি গুচ্ছ প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয়ভাবে একটি ভর্তি পরীক্ষা আয়োজিত হবে। শিক্ষার্থীরা কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে কৃষি গুচ্ছভুক্ত সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য বিবেচ্য হবে। পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা কৃষি গুচ্ছভুক্ত সব বিশ্ববিদ্যায়ের জন্য একটি কম্বাইন্ড আবেদন করবে এবং সাব্জেক্ট চয়েস দিবে। ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত মোট নাম্বার, এসএসসি ও এইচএসসি এর জিপিএ এর ভিত্তিতে প্রাপ্ত নাম্বারের আলোকে মেধাক্রম প্রকাশিত হবে এবং সে অনুযায়ী ভর্তির সুযোগ দিবে। আলাদা করে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে হবে না। সবকিছু সেন্ট্রালি পরিচালিত হবে।
কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার যাবতীয় সকল তথ্য পেতে Admission Assistant অ্যাপ-এর "বিশ্ববিদ্যালয় তথ্য" অপশনের GST, কৃষি ও CKRUET গুচ্ছ ভর্তি পরিক্ষার তথ্য" ট্যাবে ক্লিক করো।
ভর্তি তথ্য ও আবেদন যোগ্যতা
চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় কৃষি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে গুচ্ছাকারে ভর্তি পরীক্ষা নিচ্ছে।
কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় আলাদা করে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে হয় না।
তাই চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় -এর আলাদা কোন ভর্তি বিষয়ক তথ্য নেই। এছাড়া আলাদা আবেদন না থাকায় আলাদা আবেদন যোগ্যতা বা শর্ত ও নেই।
কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার যাবতীয় সকল তথ্য পেতে Admission Assistant অ্যাপ-এর "বিশ্ববিদ্যালয় তথ্য" অপশনের GST, কৃষি ও CKRUET গুচ্ছ ভর্তি পরিক্ষার তথ্য" ট্যাবে ক্লিক করো।
আসনসংখ্যা
চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ টি বিভাগে ২৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ রয়েছে।
সিভাসুর মোট আসনসংখ্যা : ২৫০ টি
বিভাগভিত্তিক আসনসংখ্যা
- ডিভিএম - ৯৪ টি
- ফুড সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি - ৭৪ টি
- ফিশারীজ - ৫৯ টি
- বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং - ২৩ টি
এক নজরে সিভাসু
চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সংক্ষেপে সিভাসু) বাংলাদেশের একটি বিশেষায়িত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। এটি দেশের একমাত্র ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়। তবে এটিকে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবেই গণ্য করা হয় এবং অন্যান্য কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো এই বিশ্ববিদ্যালয়েও অনুষদের ওপর শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি প্রদান করা হয়। সিভাসু বাংলাদেশের সর্বপ্রথম প্রাণী ব্লাড ব্যাংক তৈরি করে। বাংলাদেশের প্রথম পেট হাসপাতাল, প্রথম এনাটমি জাদুঘর সিভাসু তৈরি করেছে।
