জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় (প্রফেশনালস) — ইউনিট সমূহ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় (প্রফেশনালস)-এ ভর্তি পরীক্ষা ১টি ইউনিটে অনুষ্ঠিত হয়: অনার্স প্রফেশনাল।
ভর্তি তথ্য ২০২৬ (HSC ২০২৬ ব্যাচ)
বিগত বছরসমূহের মতো ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষেও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজসমূহে কোন
২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষ (HSC ২০২৬ ব্যাচ) - এর
সার্কুলার প্রকাশিত হলে সকল তথ্য আপডেট করে দেয়া হবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স (প্রফেশনাল) ভর্তির তথ্যসমূহ:
আবেদন শুরু:
আবেদন শেষ:
আবেদন ফি: ১০০০ টাকা
সেকেন্ড টাইম: আছে।
বিভাগ পরিবর্তন আবেদন: আছে।
মেরিট লিস্ট প্রকাশের তারিখ:
ওয়েবসাইটঃ app1.nu.edu.bd
আবেদনের যোগ্যতা
SSC পাশের সাল: ২০২২, ২০২৩, ২০২৪
HSC পাশের সাল: ২০২৪, ২০২৫, ২০২৬
বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের আবেদনের জন্য ৪র্থ বিষয়সহ কম পক্ষে SSC তে ২.২৫ এবং HSC তে ২.০ পয়েন্ট থাকতে হবে।
ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের আবেদনের জন্য ৪র্থ বিষয়সহ কম পক্ষে কম পক্ষে SSC তে ২.০ এবং HSC তে ২.০ পয়েন্ট থাকতে হবে।
অনার্স ও প্রফেশনালের পার্থক্য
অনার্স ও অনার্স প্রফেশনালের মাঝে নানবিধ পার্থক্য রয়েছে। অনার্সে যেমন পিউর সাব্জেক্টগুলো পড়ানো হয়, তেমনি প্রফেশনালে এপ্লাইড সাব্জেক্টে পড়ানো হয়। যেমন, অনার্সে পদার্থ, রসায়ন, একাউন্টিং ইত্যাদি সাব্জেক্ট পড়ানো হয়, তবে প্রফেশনালে ইঞ্জিনিয়ারিং, বিবিএ ইত্যাদি সাব্জেক্ট পড়ানো হয়।
উল্লেখ্য, কোন সরকারি কলেজে অনার্স প্রফেশনালে পড়ার সুযোগ না থাকায় তুলনামূলক বেশি ফি দিতে হয়।
আবেদন ও ভর্তি পদ্ধতি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে ভর্তি হতে কোন ভর্তি পরিক্ষা দিতে হয় না। এসএসসি ও এইচএসসি এর রেজাল্টের ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ পাওয়া যায়। ভর্তির ক্ষেত্রে প্রত্যেক কলেজের জন্য আলাদা মেরিট লিস্ট তৈরী করা হয়। ৪র্থ বিষয়সহ SSC জিপিএ এর ৪০% ও HSC জিপিএ এর ৬০% মিলিয়ে মেরিট লিস্ট তৈরী করা হয়। তবে যদি একাধিক শিক্ষার্থীর জিপিএ সমান হয় তখন ৪র্থ বিষয়সহ SSC তে প্রাপ্ত নাম্বারের ৪০% ও HSC তে প্রাপ্ত নাম্বারের ৬০% মিলিয়ে মেরিট লিস্ট তৈরী করা হয়। এর পরেও যদি দুই বা ততোধিক আবেদনকারীর প্রাপ্ত ফলাফল একই হয়, তা হলে যার বয়স কম হবে তাকে মেরিট লিস্টে আগে দেয়া হবে। মেরিট লিস্টে সিলেক্টেড হলে অতঃপর কলেজের নোটিশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও টাকা জমা দিয়ে ভর্তি হতে হবে।
১ম মেরিটে শুধু একটা কলেজেই আবেদন করা যায়। তাই বুঝেশুনে আবেদন করতে হবে। যেমন, ধরি ক ও খ দুটি কলেজ। ক কলেজে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বেশি থাকায় স্বাভাবিকভাবেই সেখানে চান্স পেতে বেশি পয়েন্ট লাগবে। সাধারণত সে কলেজের সিনিয়র কারো সাথে যোগাযোগ করলে একটা আইডিয়া পাওয়া যাবে সেখানে চান্স পেতে কেমন পয়েন্ট লাগবে। সে পয়েন্ট না থাকলে আবেদন করার প্রয়োজন নেই। কেননা ভাগ্যের উপর আবেদন করে চলে আসলে পরে দেখা যাবে চান্স আসে নি। আর ততক্ষনে কিন্তু খ কলেজেও অন্যান্যরা আবেদন করে কম পয়েন্টেই চান্স পেয়ে গেছে। তাই সিট না থাকায় বা অল্প থাকায় তখন তাদের থেকে বেশি জিপিএ নিয়েও চান্স পাওয়া যাবে না। আর রিলিজ স্লিপে অল্প কয়েকটি সিট থাকায় তখন প্রতিযোগিতা আরও বেশি থাকে। ফলস্বরুপ অনেকেই ভুল সিদ্ধান্তের কারণে ভাল/পছন্দের কলেজে ভর্তি হতে পারেনা। তাই অবশ্যই ভালভাবে জেনেশুনে আবেদন করতে হবে।
রিলিজ স্লিপ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজসমূহে ভর্তির জন্য একটি কলেজে আবেদন করার পর জিপিএ এর ভিত্তিতে ১ম ও ২য় মেরিট লিস্ট প্রকাশ করা হয়। যারা ১ম / ২য় মেরিট লিস্টে চান্স পায় না, তারা ভর্তির জন্য রিলিজ স্লিপে আবেদন করতে হয়।
সাধারণত ২য় মেরিট ও কোটার ভর্তি শেষে ১ম রিলিজ স্লিপের নোটিশ দেয়। ১ম রিলিজ স্লিপের ভর্তি শেষে অনেক সময় ২য় রিলিজ স্লিপ ও চালু করা হয়। রিলিজ স্লিপে মোট ৫টি কলজে আবেদন করা যায়। এসময় যে যে সাব্জেক্টে আসন খালি থাকে ও কতটি করে আসন খালি আছে, তা দেখা যায়। সে অনুযায়ী আবেদন করা যায়।
যারা যারা রিলিজ স্লিপে আবেদন করতে পারবে
অনার্স প্রফেশনালের সাব্জেক্টসমূহ
অনার্স প্রফেশনাল রয়েছে যেসকল কলেজে
ভর্তি সম্পর্কিত সাধারণ জিজ্ঞাসা
ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে তোমার আরও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাদেরকে Admission Assistant Updates গ্রুপে পোস্ট করে জানাও। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি তথ্য নিয়ে অভিজ্ঞ এডমিন মডারেটর ভাইয়ারা তোমাকে উত্তর জানিয়ে দিবেন।
ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে তোমার জিজ্ঞাসা গ্রুপে পোস্ট করতে ক্লিক করো
সার্কুলার পিডিএফ
সর্বশেষ তথা ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রফেশনাল ভার্তি সার্কুলার।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় (প্রফেশনালস)-এ ভর্তি পরীক্ষা ১টি ইউনিটে অনুষ্ঠিত হয়: অনার্স প্রফেশনাল।
