ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি
২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে (এইচএসসি ২০২৬ ব্যাচ) শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৯টি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরিক্ষা নিয়েছে।
কৃষি গুচ্ছ প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয়ভাবে একটি ভর্তি পরীক্ষা আয়োজিত হবে। শিক্ষার্থীরা কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে কৃষি গুচ্ছভুক্ত সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য বিবেচ্য হবে। পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা কৃষি গুচ্ছভুক্ত সব বিশ্ববিদ্যায়ের জন্য একটি কম্বাইন্ড আবেদন করবে এবং সাব্জেক্ট চয়েস দিবে। ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত মোট নাম্বার, এসএসসি ও এইচএসসি এর জিপিএ এর ভিত্তিতে প্রাপ্ত নাম্বারের আলোকে মেধাক্রম প্রকাশিত হবে এবং সে অনুযায়ী ভর্তির সুযোগ দিবে। আলাদা করে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে হবে না। সবকিছু সেন্ট্রালি পরিচালিত হবে।
কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার যাবতীয় সকল তথ্য পেতে Admission Assistant অ্যাপ-এর "বিশ্ববিদ্যালয় তথ্য" অপশনের GST, কৃষি ও CKRUET গুচ্ছ ভর্তি পরিক্ষার তথ্য" ট্যাবে ক্লিক করো।
ভর্তি তথ্য ও আবেদন যোগ্যতা
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কৃষি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে গুচ্ছাকারে ভর্তি পরীক্ষা নিচ্ছে।
কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় আলাদা করে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে হয় না।
তাই শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় -এর আলাদা কোন ভর্তি বিষয়ক তথ্য নেই। এছাড়া আলাদা আবেদন না থাকায় আলাদা আবেদন যোগ্যতা বা শর্ত ও নেই।
কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার যাবতীয় সকল তথ্য পেতে Admission Assistant অ্যাপ-এর "বিশ্ববিদ্যালয় তথ্য" অপশনের GST, কৃষি ও CKRUET গুচ্ছ ভর্তি পরিক্ষার তথ্য" ট্যাবে ক্লিক করো।
আসনসংখ্যা
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ টি বিভাগে ৬২০ জন শিক্ষার্থীর ভর্তির সুযোগ রয়েছেে।
শেকৃবির মোট আসনসংখ্যা : ৬২০ টি
বিভাগভিত্তিক আসনসংখ্যা
- এগ্রিকালচার - ৩৫০ টি
- এগ্রিকালচারাল ইকোনমিক্স - ১২০ টি
- ভেটেরিনারি সায়েন্স এন্ড এনিম্যাল হাজবেন্ড্রি - ১০০ টি
- ফিশারীজ - ৫০ টি
এক নজরে শেকৃবি
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সংক্ষেপে: শেকৃবি) বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রাচীনতম কৃষি শিক্ষা এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান। অনন্য এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত। ১৯৩৮ সালে সাধারণ কৃষি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে স্থাপিত এই ইনস্টিটিউটটি ২০০১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত হয়।
উচ্চতর কৃষি শিক্ষার বিস্তারের মাধ্যমে দেশে কৃষি উন্নয়নের গুরুদায়িত্ব বহনে সক্ষম তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ কৃষিবিদ এবং কৃষিবিজ্ঞানী তৈরি করাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য; পাশাপাশি কৃষি গবেষণার যথাযথ প্রচার ও প্রসার করার জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষ অবদান রেখে চলেছে।
